ফার্স্ট এইড এন্ড টেকনোলজী ইনস্টিটিউট

ফার্স্ট এইড এন্ড টেকনোলজী ইনস্টিটিউট

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রনালয় এবং বাংলাদেশ নার্সিং সায়েন্স এন্ড মিডওয়াইফারি কাউন্সিল অনুমোদিত।

চেয়ারম্যান মহোদয়ের বানী

বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা প্রায় ১৭ কোটি। এ অধিক সংখ্যক মানুষের সেবার জন্য যে পরিমান নার্স থাকা দরকার তা আমাদের দেশে নেই। কথায় আছে, সকলের তরে সকলে আমরা, প্রত্যেকে আমরা পরের তরে। It is says Nursing is a Nobel Profession. ইন্টারন্যাশনাল নার্সেস দিবস ২০১৮ এর WHO অনুমোদিত থিম “নার্সিং এমন একটি শব্দ যার অর্থ সেবা।”

 

আমাদের কথা

নার্সিং ও মিডওয়াইফারি গুরুত্বপূর্ণ জনসেবামূলক পেশা। এই পেশায় একদিকে যেমন মানুষের সেবা করা যায় তেমনি এই পেশার ভবিষ্যত অত্যন্ত উজ্জ্বল। বাংলাদেশ নার্সিং কাউন্সিলের তথ্যমতে, বর্তমানে দেশে তো বটেই বিদেশেও নার্সিং ও মিডওয়াফারি দক্ষ ও অভিজ্ঞ লোকের ব্যপক চাহিদা রয়েছে। এই…

আমাদের বৈশিষ্ট্য

ফার্স্ট এইড এন্ড টেকনোলজী ইনস্টিটিউট এ পল্লীচিকিৎসক পর্যায়ের বিভিন্ন কোর্সে প্রতি বছর শিক্ষার্থী ভর্তির মাধ্যমে মানসম্মত টেকনোলজিস্ট, ফিজিওথেরাপিস্ট, ডেন্টিস্ট, নার্স ও সহকারি ডাক্তার তৈরি করছে এবং এদের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি সমাজে মানসম্মত স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

নার্সিং এ কেন পড়বেন ?

আমাদের দেশের প্রেক্ষিতে বিবেচনা করলে দেখা যায়, গত কয়েক বছরে দেশের সরকারী-বেসরকারী হাসপাতালসহ প্রাইভেট ক্লিনিক এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সংখ্যা দিনদিন বেড়েই চলেছে। চিকিৎসা সেবার সাথে সংশ্লিষ্ট এসব প্রতিষ্ঠানে তাই নার্সদের চাহিদাও দিনদিন বেড়ে চলেছে।  বিস্তারিত পড়ুন….

পল্লী চিকিৎসকের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা।

পল্লী চিকিৎসকের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা।
স্বাস্থ্যসেবা মানুষের মৌলিক অধিকার। একটি স্বাস্থ্যসমৃদ্ধ জাতি দেশের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশের সংবিধানে স্বাস্থ্যসেবা ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতি সাধন রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব ও কর্তব্য হিসেবে স্বীকৃত। এই অঙ্গীকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল বাংলাদেশ সরকার সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আলোকে স্বাস্থ্যখাতকে অগ্রাধিকার খাত হিসেবে গ্রহণ করেছে। গত দুই দশকে এ খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। প্রজনন হার ও মৃত্যু হার হ্রাস, গড় আয়ু বৃদ্ধি, নবজাত শিশু ও মাতৃ-মৃত্যু হ্রাসের পাশাপাশি চিকিৎসা সেবার আধুনিকায়নে ও প্রসারের ক্ষেত্রে বিনিয়োগের মাধ্যমে অবকাঠামো উন্নয়ন ও নতুন অবকাঠামো স্থাপন অব্যাহত রয়েছে। জনগণের প্রত্যাশা ও সরকারি সম্পদের দিকে লক্ষ্য রেখে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবার পরিধি ও মান বৃদ্ধি করা হচ্ছে। বর্তমান সরকার দেশের সকল মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার জন্য সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হচ্ছে- দেশের সকল মানুষের বিশেষ করে নারী, শিশু ও দরিদ্র জনসাধারণের জন্য যথাযথ মানসম্পন্ন মৌলিক স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা নিশ্চিত করা।

বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার শতকরা ৮৫ ভাগ মানুষ গ্রামাঞ্চলে বসবাস করে। এই গ্রামাঞ্চলে এমবিবিএস পাশ করা ডাক্তার নেই বললেই চলে, ফলে গ্রাম পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক জনগোষ্ঠীকে স্বাস্থ্যসেবার জন্যে পল্লী চিকিৎসকদের শরণাপন্ন হতে হয়। পল্লী চিকিৎসক বা গ্রাম ডাক্তারগণ গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবায় তাৎপর্যপূর্ণ ভুমিকা পালন করছেন। বিস্তারিত পড়ুন….

চলমান কোর্সসমূহ

আমাদের বৈশিষ্ট্য

Scroll to Top